শিশুর উচ্চতা বাড়বে প্রাকৃতিকভাবেই।আপনি কী শিশুর উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত?অপুষ্টি, শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকা,
জিনগত ইত্যাদি কারণে সাধারণত মানুষের উচ্চতা কম হয়। একেবারে শিশু বয়স থেকে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত বয়সে মানুষের উচ্চতা সাধারণত বৃদ্ধি পায়। এই সময়টিতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে শিশুর উচ্চতা বাড়ানো যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বাড়ানোর কিছু পরামর্শ।



ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যগ্রহণ
শিশুদের ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যগ্রহণ তাদের উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ, দুধ থেকে তৈরি খাবার, তাজা জুস, সবজি রাখা জরুরি। দুধ কেবল সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকে দেখভাল করবে না, এর মধ্যে থাকা প্রয়োজনীয় মিনারেলস, যেমন ক্যালসিয়াম-এগুলো হাড়ের বৃদ্ধিকে ভালো রাখবে। তাই দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পনির, দই ইত্যাদি দুগ্ধজাত খাবার রাখতে পারেন।



পানি
ক্যাফেইন, কার্বোনেট জাতীয় খাবার থেকে শিশুকে দূরে রাখুন। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করান। পানি পান শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়ায় এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে কাজ করে।


 ঘুমানো
এটা প্রমাণিত যে ঘুমন্ত অবস্থায় শরীরের বৃদ্ধি হয় এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম টিস্যুকে সতেজ করে। তাই বাড়ন্ত শরীরে ঘুম খুব জরুরি। অন্তত আট থেকে ১১ ঘণ্টা গভীর ঘুম শরীরের উচ্চতা বাড়াতে প্রয়োজন।

সহজ ব্যায়াম
শিশুকে সারাদিন পড়ার টেবিলে বসিয়ে না রেখে ব্যায়াম এবং খেলাধুলা করতে উৎসাহিত করুন। ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, ভলিবল, টেনিস, সাঁতার শেখাতে পারেন। এ ছাড়া কিছু স্ট্রেচিং (stretching) ব্যায়াম করাতে পারেন। যেমন: হ্যাঙ্গিং বারস, স্কিপিং রোপস- এগুলো শরীরকে সক্রিয় করতে কাজ করবে।










ইয়োগা বা যোগব্যায়াম
সঠিক শ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপ দূর করে এই ব্যায়াম শরীরের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এ ধরনের শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম শিশুকে শেখান। এ ছাড়া কিছু ইয়োগা রয়েছে যা শরীরকে সঠিকভাবে বাড়তে সাহায্য করে। তাই ফিটনেস প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে উচ্চতা বাড়বে এমন ইয়োগা
প্রশিক্ষণ শিশুকে করাতে পারেন।