Give your child the gift of spending time

নিজের ছেলেমেয়ের প্রতি সন্তুষ্ট আছেন এমন বাবা-মা খুব বেশি পাওয়া যাবে না। কিন্তু কেনো এমনটি হয়? একটা বয়সের পর সন্তান কেনো বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে সরে যায়? ভুলটা আপনারই নাতো?

সন্তানের জন্য সময় রাখুন
ব্যস্ত জীবনে বাবা-মায়ের দায়িত্বের সীমা নেই। অফিস, বাসা, রান্না করা, পরিবার পরিজন, আত্মীয়স্বজন, সামাজিকতা ইত্যাদি বিভিন্ন ব্যাপারে ব্যস্ত বাবা-মা শেষ পর্যন্ত সন্তানকেই সময় দিতে পারে না।
বাবা-মায়ের তাদের সন্তানের কাছে খুব বেশি কিছু চাওয়ার থাকে না। তারা শুধুই চায় যেন তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল থাকে এবং তারা যেন ভালো মানুষ হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। কিন্তু এই জন্য চাই পর্যাপ্ত পরিচর্যা এবং সঠিক ভাবে যত্ন নেওয়া।
ধরুন আপনার ছেলে রাস্তায় মারামারি করে বেড়াচ্ছে বা পড়াশুনায় ভালো ফল করতে পারছে না। এটা তার দোষ ঠিক, কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেনোই বা আপনার ছেলেটি বিপথে চলে গেল?
একটি শিশু জন্মের সময় যেমন ফুলের মতো পবিত্র থাকে তেমনি জাগতিক সকল ভালোমন্দ থাকে তার কাছে অজানা। এগুলো তারা শেখে পরিবার থেকেই। আপনি আপনার সন্তানকে যা শেখাবেন সে তো তাই শিখবে।
একটি বাড়ি ভালোভাবে তৈরি করতে হলে তার জন্য একটি শক্ত ভীতের প্রয়োজন হয়। শিশুদের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি একই রকম। আপনার সন্তান যে ভালো মানুষ হয়ে বেড়ে উঠবে বা সফল হয়ে উঠবে তার ভীত গড়ে দেবেন আপনিই।
এটা ঠিক যে বড় হয়ে পারিপার্শ্বিক অনেক সমস্যায় অনেকে বিপথে চলে যায়। তবে ভীত যদি পাকা হয় তবে আপনার সন্তান একসময় না একসময় তার ভুল বুঝতে পারবে এবং ফিরে আসবে। অথবা শত প্রলোভনের পরেও সে কখনো অন্ধকার পথে পা-ই বাড়াবে না।
এবার চিন্তা করে দেখুন তো আপনি আপনার সন্তানকে দিনে কতো সময় দিচ্ছেন? সারা দিন অফিসের পর বাসায় যেয়ে আপনার সন্তানের সাথে কয় মিনিট গল্প করছেন? বা রান্নাঘর ও সংসার সামাল দেওয়ার পর কতটুকু সময় প্রাণপ্রিয় সন্তানটিকে দিতে পারছেন? যেটুকু পারছেন সেটাও পর্যাপ্ত তো?