skin whitening face tips for men
শুধু মেয়েদেরই বিভিন্ন রুপচর্চার পরামর্শ দেয়া হয়,ছেলেদের দেয়া হয় না কেন?মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের
ত্বকের পরিচর্যা করা অনেক বেশি জরুরি।কেননা সারাদিনের কাজ,ধুলাবালি, রাস্তার কালো ধোয়া, রোদের
তাপে চেহারার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও নষ্ট হয়ে যায়।মুখে কালো কালো ছোপ আর ধুলাবালিতে চেহারার উজ্জ্বলতা কোথায়
যেনো হারিয়ে গেছে।এক্ষেত্রে শুধু পানি বা সাবান দিয়ে মুখ ধুলেই কি সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়? অনেকের ধারণা কিছুটা এমনই। কারণ অনেকে মনে করে ছেলেদের ত্বকের যত্ন নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।রূপচর্চা শুধুই মেয়েদের
জন্যই। কিন্তু এই ধারণাটা কখনই ঠিক নয়। কারণ যেহেতু ছেলেদের কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেশী যেতে হয় সেহেতু তাদের ত্বক আরো দ্রুত কালচে হয় যায়। এক্ষেত্রে সঠিক পরিচর্যা করলে চেহারার উজ্জ্বল্য আবার ফিরে পাওয়া সম্ভব। তাই
জেনে নিন ছেলেদের ত্বকের যত্ন কীভাবে নেয়া যেতে পারে।

ত্বককে বাইরের ধুলাবালি ও রোদ থেকে রক্ষা করুন। কারণ বাইরের রোদের তাপ ত্বকে পিগমেন্টেশন তৈরী করতে পারে।ফলে ত্বকে সহজে কালচে ছোপ পড়ে। তাই বাইরে বের হওয়ার সময় রোদের তাপ থেকে ত্বককে দূরে রাখতে হবে। বাইরে বেশীক্ষণ অতিরিক্ত ধুলাবালি ও কড়া রোদে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সারাদিনে ৩ থেকে ৪ বার মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপ্টা দিতে হবে।

-সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন মুখে স্ক্রাব করতে হবে।  এখন বাজারে অনেক ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়।
বিশেষ করে সাইট্রিক এসিড, গ্লিসারিন অয়েল, ফ্রুট যুক্ত স্ক্রাবগুলো ছেলেদের স্কিন এর জন্য অনেক ভাল হয়।

কারণ ,স্ক্রাব ত্বক থেকে ধুলা,অতিরিক্ত তেল দূরকরে স্কিনকে পরিষ্কার করে তোলে।

-রাতে ঘুমানোর আগে একটা আইস কিউব নিয়ে সম্পুর্ণ মুখে ভালোভাবে ঘষে নিন। এতে করে ত্বকে রক্ত চলাচল সচল থাকে
আর ত্বকের রক্ত সঞ্চালণ
প্রবাহ ভালো থাকলে ত্বক
দ্রুত উজ্জ্বল হয়। এরপর
যেকোনো একটা মশ্চারাইজার
ক্রীম লাগিয়ে আঙ্গুল
দিয়ে ঘষে ম্যাসাজ করে নিন।

-একটা লেবু কেটে খোসাসহ
মুখে ভালভাবে ঘষে নিন। লেবুর
সাইট্রিক এসিড আপনার ত্বকের
অতিরিক্ত তেল, পিগমেন্টেশন,
রোদে পোড়া দাগ দূর
করতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন
সি মুখের কালো দাগ দূর
করে ত্বককে আরো ফর্সা করতে সাহায্য
করে।


প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল
করতে শসা খুব উপকারী উপাদান
হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন
বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার
আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫
থেকে ২০ মিনিট মুখ
ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন।
প্রতিদিন ব্যাবহারে ত্বক
অনেক পরিষ্কার হয়।
এছাড়া শসার রস
ত্বকে প্রাকিতিক
মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ
করে।

– এক চামুচ কাচা হলুদের
সাথে কাচা দুধ
মিশিয়ে পেষ্ট
তৈরী করে সম্পূর্ণ
মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন।
কাঁচা হলুদ ত্বকের
কোমলতা ধরে রাখে এবং কাঁচা দুধ
স্কিনের
কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য
করে।

-অ্যালোভেরার
জেলোতে প্রচুর
পরিমানে আন্টিঅক্সিডেন্ট
থাকে যা ফাটা ত্বক
সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী।
সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন
অ্যালোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষন
অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন।
এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের
করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল
করে তোলে।

– শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু অনেক
উপকারী। আধা চামুচ মধুর
সাথে এক টুকরো লেবুর রস
মিশিয়ে মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫
মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম
গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।